জুলাই ১০, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

+৮৮০১৭৪৪-২২১৩৮৫

বিদ্যালয়ে ঢুকে নারী প্রধান শিক্ষককে পেটালেন অভিভাবক

  • Views: 123
  • Share:
জুলাই ৯, ২০২৬ ১৩:২৫ Asia/Dhaka

টিবিসি ডেস্ক :: চুয়াডাঙ্গায় বিদ্যালয়ে ঢুকে নারী প্রধান শিক্ষককে পিটিয়েছেন এক অভিভাবক। বুধবার দুপুরে জেলা শহরের ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রধান শিক্ষক কাবেরী করিমকে আচমকা চড়-থাপ্পড় মারেন ওই অভিভাবক। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ে যেতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা।

জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ফার্মপাড়ার সামসউর রহমান শুভ বিদ্যালয়ে ঢুকে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে অফিসকক্ষে বসা অবস্থায় প্রধান শিক্ষক কাবেরী করিমকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকেন। এ সময় কয়েকজন তাকে নিবৃত্ত করে বাইরে বের করে নিয়ে যান।

শিক্ষককে মারধরের ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন অভিভাবকের এহেন আচরণ বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করেছে।

জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ফার্মপাড়ার সামসউর রহমান শুভ বিদ্যালয়ে ঢুকে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে অফিসকক্ষে বসা অবস্থায় প্রধান শিক্ষক কাবেরী করিমকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকেন। এ সময় কয়েকজন তাকে নিবৃত্ত করে বাইরে বের করে নিয়ে যান।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সামসউর রহমান শুভ ও মিতালী খাতুন দম্পতির মেয়ে বিসমাহ জান্নাত ঐশ্বর্য (৯) তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। সে স্কুলের সমাবেশ চলাকালে এক ছাত্রের সঙ্গে কথা বলাবলি করছিল। এ কারণে তাকে শাসন করতে গিয়ে প্রধান শিক্ষক তার গালে একটি চড় মারেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তার পিতা শুভ বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে মারধর করেন।

এ ব্যাপারে একাধিকবার কল করা হলেও অভিযুক্ত অভিভাবক শুভ ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কাবেরী করিম বলেন, আমি একজন শিক্ষক হয়ে আদর যেমন করি একটু শাসনও করতে হয়। এ কারণেই আলতো করে একটা চড় মেরেছিলাম। এ কারণে একজন অভিভাবক আমার অফিসে ঢুকে আমার গায়ে হাত তুলবেন এটা আমার ধারণা ছিল না। এ অবস্থায় বিদ্যালয়ে যেতে আমি নিরাপত্তাহীন মনে করছি। আবারও আমার ওপর হামলা হতে পারে বলে আমি আশঙ্কা করছি।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি চুয়াডাঙ্গা কেদারগঞ্জ আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোয়াইব হোসেন বলেন, এ ধরনের আচরণ আমরা কোনো অভিভাবকের কাছ থেকে আশা করি না। এমন হলে আমরা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানুষ করব কিভাবে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং লাঞ্ছনার শিকার শিক্ষকের পাশে থেকে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে চাই।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহীন্দ্র কুমার মণ্ডল বলেন, ঘটনাটি নিন্দনীয়। অভিভাবকের কোনো অভিযোগ থাকলে তিনি শিক্ষা অফিসকে জানাতে পারতেন; কিন্তু তিনি তা না করে প্রধান শিক্ষককে মারধর করবেন এটা অন্যায়। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

user
user
Ad
Ad