জুন ৫, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

+৮৮০১৭৪৪-২২১৩৮৫

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে উত্তীর্ণদের ভাইভা দ্রুত শুরুর দাবি

** গত ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান পদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ২২ এপ্রিল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে প্রায় ৫৩ হাজার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন এবং ১৪ হাজার ৯৪২ জন উত্তীর্ণ হন**
  • Views: 1776
  • Share:
জুন ৫, ২০২৬ ১৬:২৪ Asia/Dhaka

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা দ্রুত শুরু করার দাবি জানিয়েছেন ভাইভা প্রত্যাশী শিক্ষকদের একাংশ।

শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে ৮ম এনটিআরসিএ’র প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহপ্রধান পদের ভাইভা প্রত্যাশী শিক্ষকদের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ড. মো. এমদাদুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কঠোর পরিশ্রম ও প্রচেষ্টায় বিগত ১৭ বছরের প্রায় ভঙ্গুর শিক্ষা ব্যবস্থা ক্রমশ উন্নতির দিকে যাচ্ছে।

বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে তা সর্ব মহলে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর উৎপাদন ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা তার সঙ্গে শিক্ষক সমাজ সম্পূর্ণ একমত এবং তা বাস্তবায়নে আমরা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। প্রধানমন্ত্রীর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দরকার সৎ, যোগ্য, মেধাবী ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ও প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন একদল দক্ষ শিক্ষা প্রশাসক ও নেতৃত্ব। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সব এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান নিয়োগ, এনটিআরসিএ’ র মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে গ্রহণের সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করে যা সর্ব মহলে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির প্রাথমিক অবসান হয়েছে, যা শিক্ষক সমাজের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ১৮ এপ্রিল বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান পদের লিখিত পরীক্ষা শেষ। গত ২২ এপ্রিল ফল প্রকাশিত হয়। এই পরীক্ষায় প্রায় ৫৩ হাজার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবং ১৪ হাজার ৯শত ৪২জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়।

লিখিত বক্তব্য আরো বলেন, বিশেষজ্ঞ প্যানেল কর্তৃক প্রণীত সিলেবাস অনুসারে এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হয় এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে যা সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত। সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত লিখিত নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান পদে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের দ্রুততম সময়ে মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন মো. আমজাদ হোসেন, মফিজুল ইসলাম, মো. তারিকুল ইসলাম, মো. রুহুল আমিন, মোল্লা শহিদুল ইসলাম, মো. মনিরুল ইষলাম, মো.আতিকুল ইসলাম মাখন, গোলাম রসুল সানি, মেহেদী হাসান ও আবুল কালাম আজাদসহ অন্যান্য শিক্ষক।

user
user
Ad
Ad