ইমাম, খতিব ও শিক্ষকদের জাতীয়ভাবে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শ্রেণি ঘোষণার দাবি
একই সঙ্গে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-সামাজিক নিরাপত্তাসহ সব রাষ্ট্রীয় সুবিধাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে ইমাম, খতিব ও শিক্ষক সমাজকে জাতীয়ভাবে ‘প্রথম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শ্রেণি’ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানানো হয়।
জাতীয় মানসম্মত বেতন কাঠামো ও সমতা নিশ্চিতকরণ, সুদমুক্ত আবাসন ঋণ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্ডসহ সরকারের কাছে ১০ দাবি জানিয়েছে জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থা বাংলাদেশ। একই সঙ্গে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-সামাজিক নিরাপত্তাসহ সব রাষ্ট্রীয় সুবিধাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে ইমাম, খতিব ও শিক্ষক সমাজকে জাতীয়ভাবে ‘প্রথম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শ্রেণি’ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানানো হয়।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত জাতীয় সেমিনারে এই দাবি তোলা হয়। সেমিনারে ১০ দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের সভাপতি মুফতি আবু তাহের আল মাদানী।
তাদের দাবিগুলো হলো: জাতীয় মানসম্মত বেতন কাঠামো ও সমতা নিশ্চিতকরণ। প্রতিটি ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনের জন্য জাতীয়ভাবে একীকৃর বেতন কাঠামো প্রণয়ন করতে হবে এবং এটিকে নূনতম জাতীয় বেতন স্কেলের সাথে সমান মর্যাদা দিতে দেয়া। সুদমুক্ত আবাসন ঋণ (হাউজিং সাপোর্ট)। ইমাম-খতিবদের আবাসন সংকট সমাধনে ওয়াকফ কান্ড বা সরকারি সহযোগিতায় সুদমুক্ত গৃহঋণ চালু করতে হবে। মসজিদের বিদ্যুৎ বিল হ্রাস। বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাসকে ‘ধর্মীয় স্থাপনা’ ক্যাটাগরি ঘোষণা করে বিশেষ আড় ও বিল কমানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্ড প্রদান। ইমাম-খতিব এবং তাদের পরিবারের জন্য বিনামুল্যে চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ সমাজসেবা কার্ড প্রবর্তন করতে হবে।
সুবিধাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রথম অগ্রাধিকার নিশ্চিত। শিক্ষা-স্বাস্থ্য-সামাজিক নিরাপত্তাসহ সব রাষ্ট্রীয় সুবিধাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে ইমাম, খতিব ও শিক্ষক সমাজকে জাতীয়ভাবে ‘প্রথম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শ্রেণি’ হিসেবে ঘোষণা করা। জাতীয় ইমাম ডাটাবেস তৈরি। ইমাম-খতিবদের যোগ্যতা, অবস্থান ও চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে একটি একীভূত ডিজিটাল জাতীয় ডাটাবেস তৈরি করা। ইমাম সুরক্ষা ও মর্যাদা আইন প্রণয়ন। ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের সময় ইমাম ও খতিবদের ওপর হুমকি, লাঞ্ছনা ও সহিংসতা রোধে তাদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৃথক আইন প্রণয়ন করা। জাতীয় শুরা বোর্ড গঠন। ইসলামিক গবেষণা, ফতোয়া প্রণয়ন, সামাজিক পুনর্বাসন, দাম্পত্য বিরোধ সমাধান ও সমাজ শান্তি রক্ষার জন্য একটি কেন্দ্রীয় জাতীয় শুরা বোর্ড গঠন করা। দরিদ্র ও প্রবীন ইমামদের জন্য বিনামূল্যে হজ সুবিধা। প্রতি বছর নির্দিষ্ট সংখ্যক দরিদ্র, প্রবীণ ও অসহায় ইমাম-খতিবদের সরকারি তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে হজ পালনের সুযোগ দেয়া। মিথ্যা মামলা ও হয়রানি থেকে ইমামদের আইনি সুরক্ষা দেয়া। ধর্মীয় বক্তব্য বা সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের কারণে ইমাম-খতিবদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানিমূলক আচরণ রোধে বিশেষ আইনি সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা।
- শিক্ষকদের স্কুল চলাকালে বাইরে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা
- সরকারি প্রাথমিকের পদায়ন ও কর্মরত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রমে কমিটি গঠনের নির্দেশ
- সুখবর প্রাথমিকের ১৪৩৮৪ জন শিক্ষকের জন্য
- সাতশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাজেট বরাদ্দ
- গত বছরের প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা
- শিক্ষকরা এখন দর্জি-দিনমজুর, ২৭ বছর বেতনহীন
- সরকারি স্কুল চলছে এক শিক্ষক দিয়ে
- এসএসসির ফল প্রকাশ হচ্ছে সোমবার
- সরকারি বইয়েও ‘ঘুষ’ নেওয়ার অভিযোগ
- শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে নতুন তথ্য জানালেন মাউশি ডিজি
- প্রাথমিকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল ৩ জমজ বোন
- এক কলেজ থেকে মেডিকেলে চান্স পেলেন ৪৫ শিক্ষার্থী
- ইমাম, খতিব ও শিক্ষকদের জাতীয়ভাবে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শ্রেণি ঘোষণার দাবি
- যে শর্ত না মানলে বেতন পাবেন না প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মকর্তারা
- স্যাটায়ার, মিম ও কার্টুনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, তিন শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল
- ৫ দাবিতে ইডেন ছাত্রীদের মানববন্ধন
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ইস্যুতে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের নতুন কর্মসূচি
- শিক্ষক নেতা আজিজীর বিরুদ্ধে তদন্ত, মন্ত্রণালয় ও ডিআইএর সর্বশেষ মনোভাব
- সায়েন্সল্যাব অবরোধ ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের


MS3 Technology BD