নভেম্বার ২, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৭ শিক্ষকের ১০ শিক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ

নভেম্বার ২, ২০২৬ ১৪:৫৮ Asia/Dhaka
  • Views: 2714
  • Share:

নওগাঁর পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজে কর্মরত আছেন ১৭ জন শিক্ষক। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবার কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীন এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১০ পরীক্ষার্থী। তবে ১৭ জন শিক্ষক মিলেও তাদের একজনকেও পাস করতে পারেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে বর্তমানে মোট ১৭ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় কারিগরি বোর্ডের অধীনে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি।

শুধু পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ নয়, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নওগাঁর আরও ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। গত শনিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে এমন চিত্র বেরিয়ে এসেছে।

নওগাঁর শতভাগ ফেল করা ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো, মহাদেবপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাহারুল উমুল আলিম মাদ্রাসা ও আরিফ মেমোরিয়াল কলেজ, পোরশার মেদা হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) আলিম মাদ্রাসা, নিয়ামতপুরের রাজাপুর বটতলী হাট কলেজ ও সাংশৈল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাণীনগরের বড়খোল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, ধামইরহাটের শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, মান্দার শ্যাম চাঁদ মডেল উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ ও ঘোনা আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং আত্রাই উপজেলার সোনাইডাঙ্গা মহিলা বি এম অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সরকারের কোষাগার থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা মাসে মাসে বেতন-ভাতা নিয়মিত পান। তারপরও ১৭ শিক্ষকের একটি প্রতিষ্ঠানে ১০ জন পরীক্ষার্থী পাস করে না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের উচিত এই প্রতিষ্ঠানের প্রশাসক কিংবা শিক্ষকদের কোনো গাফিলতি রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে বের করা।

এ বিষয়ে পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেশিরভাগই অনিয়মিত। তারা পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানা কিংবা দোকানে কাজ করে। এদেরকে ধরে ধরে এনে ক্লাস করাতে হয়। এ কারণে এখানকার ফলাফল এতো খারাপ।’

user
user
Ad
Ad