জুলাই ২৩, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

+৮৮০১৭৪৪-২২১৩৮৫

সুখবর প্রাথমিকের ১৪৩৮৪ জন শিক্ষকের জন্য 

  • Views: 130
  • Share:
জুলাই ২২, ২০২৬ ১০:৩৬ Asia/Dhaka

টিবিসি ডেস্ক :: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। তাদের চলমান গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক পুলিশ ভেরিফিকেশন কার্যক্রম প্রায় শেষপর্যায়ে পৌঁছেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রাজীব কুমার সরকার জানিয়েছেন, চলতি জুলাই মাসের মধ্যেই গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের চূড়ান্ত রিপোর্ট মন্ত্রণালয়ে জমা পড়বে। রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগপত্র প্রদান ও যোগদানসহ পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম দ্রুত সময়ের মধ্যে শুরু করা হবে।

তার এই বক্তব্যে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কিছুটা অগ্রগতি হলেও প্রার্থীরা এখনই পুরো আশ্বস্ত হতে পারছেন না। তাদের মতে, গত পাঁচ মাসের চরম অনিশ্চয়তা, মানসিক চাপ ও আর্থিক কষ্টের অবসান কেবল দ্রুত নিয়োগপত্র হাতে পেলেই সম্ভব।

উল্লেখ্য, প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরপর দ্রুততম সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ডোপ টেস্ট ও পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলেও শেষ ধাপে ‘বিশেষ নিরাপত্তা ভেরিফিকেশন’ যুক্ত হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়াটি আটকে যায়।

চূড়ান্তভাবে টিকে গেছেন জেনে অনেকেই আগের চাকরি বা কাজ ছেড়ে দিয়েছিলেন। ফলে পাঁচ মাস ধরে কোনো আয়-রোজগার না থাকায় পরিবার নিয়ে তাঁদের চলা কঠিন হয়ে পড়েছে। পদে পদে আত্মীয়স্বজন ও সমাজের মানুষের নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রার্থী বলেন, সব পরীক্ষায় পাস করেও একটি রিপোর্টের জন্য এতগুলো মাস বসে থাকা খুব যন্ত্রণার। এখন বলা হচ্ছে চলতি মাসেই রিপোর্ট জমা হবে। আমরা চাই আর দেরি না করে দ্রুত যেন আমাদের স্কুলে যোগদানের ব্যবস্থা করা হয়।

দেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা স্বাভাবিক রাখতে নতুন শিক্ষক প্রয়োজন। এর মধ্যে আদালতের আদেশের পর ৩৬ হাজার ২৩৫ জন সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাচ্ছেন। তারা পদোন্নতি পেয়ে নতুন পদে গেলে সহকারী শিক্ষকের পদগুলোতে বড় ধরনের নতুন শূন্যতা তৈরি হবে।

সব মিলিয়ে সারা দেশে পদোন্নতি ও স্বাভাবিক অবসরের কারণে বর্তমানে প্রায় ৩৮ হাজার ৪৩৩টি সহকারী শিক্ষকের পদ ফাঁকা হওয়ার পথে। এমন পরিস্থিতিতে এখন আটকে থাকা ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষক দ্রুত যোগদান করতে পারলে মাঠপর্যায়ের এই তীব্র জনবল সংকট কিছুটা কমত।

user
user
Ad
Ad