সরকারি কলেজে যাচ্ছে এমপিওভুক্তির ভাগ্য
টিবিসি ডেস্ক :: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির ভাগ্য নির্ধারণ করবেন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা। এমপিওভুক্তিতে দুর্নীতি ও ভোগান্তি কমাতে এমন উদ্যোগ বলে দাবি শিক্ষা কর্তাদের। এজন্য এমপিওভুক্তির কাগজপত্র যাচাই করতে স্থানীয় সরকারি কলেজে কর্মরত বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের কাজে লাগানো হবো।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, ‘এমপিওর জন্য জমা দেওয়া কাগজপত্র যাচাই করতে দেয়া হবে স্থানীয় বড় সরকারি কলেজ শিক্ষকদের। বর্তমানে যে কাজটা উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা করছেন।’
মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘ধরুন, ঢাকা অঞ্চলের এমপিওর কাগজ যাচাইয়ে ঢাকা কলেজের শিক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তেমনি চট্টগ্রাম অঞ্চলেরগুলো চট্টগ্রাম কলেজে। এতে দুর্নীতি ও ভোগান্তি কমবে।
বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রিপদে (প্রভাষক, সহকারি শিক্ষক, গ্রন্থাগারিক শিক্ষক, মৌলভী শিক্ষক ইত্যাদি) নিয়োগের জন্য প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্বে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ। আর অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকসহ প্রশাসনিক পদ এবং অফিস সহকারিসহ অন্যন্য নিয়োগের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির।
নিয়োগের পর এমপিওভুক্ত হতে অনলাইনে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সব কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হয় শিক্ষক-কর্মচারীদের। পুরো কাজটির দায়িত্বে আছে তিনটি পৃথক অধিদপ্তর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। তিন অধিদপ্তরের এমপিওর ডেস্কে কর্মরতদের ৯০ শতাংশই বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালকসহ কয়েকটি পদে প্রশাসন ক্যাডার।
শিক্ষা প্রশাসনে সর্বজনবিদিত কয়েকটি দুর্নীতিপ্রবণ খাতের মধ্যে এমপিওভুক্তি (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ পাওয়ার নাম) অন্যতম। গত প্রায় ৪০ বছর ধরে এমপিওভুক্তির ৯০ শতাংশ কাজই করে আসছেন শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত সরকারি কলেজ ও হাইস্কুল শিক্ষকরা। নিয়োগ বোর্ডে মহাপরিচালকের প্রতিনিধিও থাকছেন তারাই। বাকী কাজ করছেন আঞ্চলিক উপপরিচালক, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা। উপ-পরিচালক এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পদে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত সরকারি হাইস্কুল শিক্ষকরাও রয়েছেন। আর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদে কর্মরতরা প্রায় ৩০ বছর আগে উপবৃত্তির জন্য নিযুক্ত উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা—যারা পরে রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
বর্তমানে ত্রিশ হাজারের বেশি হাইস্কুল-কলেজ-মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঁচ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত রয়েছেন।
- শিক্ষকদের স্কুল চলাকালে বাইরে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা
- সরকারি প্রাথমিকের পদায়ন ও কর্মরত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রমে কমিটি গঠনের নির্দেশ
- সুখবর প্রাথমিকের ১৪৩৮৪ জন শিক্ষকের জন্য
- সাতশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাজেট বরাদ্দ
- গত বছরের প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা
- শিক্ষকরা এখন দর্জি-দিনমজুর, ২৭ বছর বেতনহীন
- সরকারি স্কুল চলছে এক শিক্ষক দিয়ে
- এসএসসির ফল প্রকাশ হচ্ছে সোমবার
- সরকারি বইয়েও ‘ঘুষ’ নেওয়ার অভিযোগ
- শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে নতুন তথ্য জানালেন মাউশি ডিজি
- প্রাথমিকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল ৩ জমজ বোন
- এক কলেজ থেকে মেডিকেলে চান্স পেলেন ৪৫ শিক্ষার্থী
- ইমাম, খতিব ও শিক্ষকদের জাতীয়ভাবে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শ্রেণি ঘোষণার দাবি
- যে শর্ত না মানলে বেতন পাবেন না প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মকর্তারা
- স্যাটায়ার, মিম ও কার্টুনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, তিন শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল
- ৫ দাবিতে ইডেন ছাত্রীদের মানববন্ধন
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ইস্যুতে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের নতুন কর্মসূচি
- শিক্ষক নেতা আজিজীর বিরুদ্ধে তদন্ত, মন্ত্রণালয় ও ডিআইএর সর্বশেষ মনোভাব
- সায়েন্সল্যাব অবরোধ ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের


MS3 Technology BD